একজন আদর্শ চালক হতে হলে কি কি গুণাবলী থাকা উচিত?


আজকের আধুনিক জীবনযাত্রায় চালক শুধু গাড়ি চালায় না—একজন আদর্শ চালক মানে হলো দায়িত্বশীলতা, ধৈর্য ও সচেতনতার প্রতীক। আপনি যদি একজন দক্ষ ও নিরাপদ চালক হতে চান, তাহলে শুধু গাড়ি চালানো শিখলেই হবে না, প্রয়োজন কিছু মানসিক ও আচরণগত গুণাবলী। এই আর্টিকেলে আমরা জানব একজন আদর্শ চালকের জন্য কোন গুণগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কেন সেগুলো জরুরি।


✅ ১. ধৈর্য ও সংযম (Patience & Self-control) =ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় কিংবা হাইওয়েতে জ্যামে পড়া প্রায়ই ঘটে। এই সময় একজন আদর্শ চালকের প্রথম ও প্রধান গুণ হলো ধৈর্য। গন্তব্যে দেরি হলেও হুট করে ওভারটেক বা রাফ ড্রাইভ করা নিরাপদ নয়। রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখা, হর্ন না বাজিয়ে ধৈর্য ধরা একজন চালকের ব্যক্তিত্বের পরিচয়।


✅ ২. সতর্কতা ও মনোযোগ (Alertness & Focus) =ড্রাইভিং মানেই আপনি দায়িত্বে আছেন—নিজের জীবনের, অন্য যাত্রীদের, পথচারীদের। তাই:

👉মোবাইল ফোন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

👉প্রতিটি মোড়, সিগনাল, বা পার্কিং স্পটেও সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন।

👉চোখ-কান খোলা রেখে গাড়ি চালানো একজন আদর্শ চালকের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।


✅ ৩. আইন মেনে চলার অভ্যাস (Respect for Traffic Rules) = একজন আদর্শ চালক কখনোই ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করেন না।

👉ট্রাফিক সিগনাল মানা,

👉সিটবেল্ট বাঁধা,

👉নির্ধারিত গতিতে গাড়ি চালানো — এসব বিষয় একজন পেশাদার চালকের পরিচায়ক।


✅ ৪. আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা (Confidence & Skill) =ড্রাইভিং দক্ষতা থাকলেও আত্মবিশ্বাস না থাকলে যেকোন সময় ভুল হতে পারে।

👉এক্সিডেন্ট রোধে প্রয়োজন অনুশীলন ও সঠিক ট্রেনিং।

👉রাস্তায় আত্মবিশ্বাসের সাথে ড্রাইভ করুন, কিন্তু অহংকার নয়।


✅ ৫. সৌজন্যবোধ ও নৈতিকতা (Courtesy & Ethics) =একজন ভালো চালক সবসময়ই ভদ্র ও সহানুভূতিশীল হয়।

👉অন্য গাড়িকে আগে যেতে দেওয়া,

👉পথচারীদের পার হতে সাহায্য করা,

👉ভদ্রভাবে কমিউনিকেট করা — এগুলো চালকের সৌজন্যবোধের প্রকাশ।


✅ ৬. গাড়ির যত্ন নেওয়ার মানসিকতা (Vehicle Care) =আপনার গাড়িই আপনার সঙ্গী।

👉নিয়মিত সার্ভিসিং,

👉ব্রেক, টায়ার, লাইট চেক করা

👉এগুলো একজন আদর্শ চালকের অভ্যাসে থাকতে হবে।


✅ ৭. মানসিক ভারসাম্য ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা =জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে চাপ থাকে—তবুও গাড়ি চালানোর সময় মানসিক ভারসাম্য বজায় 👉রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

👉চাপ থাকলেও মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে,

👉তা না হলে রোড রেজ বা দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়।


✅ ৮. পরিবেশবান্ধব মানসিকতা =একজন সচেতন চালক জানে কীভাবে কম ফুয়েল খরচ করে গাড়ি চালাতে হয়।

👉প্রয়োজন ছাড়া ইঞ্জিন অন না রাখা,

👉নিয়মিত চেকআপ করানো — এসব অভ্যাস পরিবেশকে রক্ষা করে।


একজন আদর্শ চালক শুধু নিজের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্যই একজন সম্পদ। আপনার ড্রাইভিং যদি নিরাপদ হয়, তবে আপনার পরিবারের সদস্যরাও নিশ্চিন্ত থাকে। তাই শুধু লাইসেন্স পেলেই চালক হওয়া যায় না—একজন আদর্শ চালক হতে চাইলে উপরোক্ত গুণাবলী গড়ে তোলাই সবচেয়ে জরুরি।

এভিনিউ ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার



আজকে আমরা দেখব - গিয়ার লিভারে L/2 এই দুইটা গিয়ার কিভাবে কাজ করে?

 আজকে আমরা দেখব - গিয়ার লিভারে L/2 এই দুইটা গিয়ার কিভাবে কাজ করে?


অনেকগুলো গাড়িতে দেখা যায় গিয়ার লিভারে সবগুলো গিয়ারের সাথে এক্সট্রা আরো দুইটা অপশন দেখা যায় L এবং 2

এগুলার কাজ কি আমরা সবাই কী জানি?
ওয়েল,

L মানে হচ্ছে লো গিয়ার অর্থ্যাৎ 1st গিয়ার। L সিলেক্ট করলে গিয়ারবক্স ফাস্ট গিয়ারে ফিক্সড হয়ে থাকবে অন্য কোনো গিয়ারে শিফট হবে না। এই গিয়ারে টর্ক বেশী পাওয়া যায় আর হর্স পাওয়ার একেবারে  কম হয়। এটা আপনি ইউজ করবেন যেখানে আপনার হাই টর্কের দরকার বেশী হবে স্পীড থেকে।

























যেমন কোন গাড়িকে "টো" করতে অথবা গাড়ি গর্তে পড়ে গেছে গর্ত থেকে টেনে তুলতে এটা ব্যবহার করবেন ।

2
মানে হচ্ছে সেকেন্ড গিয়ার। সেকন্ড গিয়ার নাম হলেও এটাতে গাড়ি প্রথম দুইটা গিয়ার ইউজ করবে। এটাও অনেকটা L এর মতো কাজ করে কারন ফাস্ট গিয়ার আর সেকেন্ড গিয়ারের মাঝে ডিফারেন্স খুব একটা নাই। তবে এটারও ইউজ আছে যখন আপনি আপহিলে উঠেন বা ডাউনহিলে যান তখন মানে পাহারী এলাকায় ।   ধরুন আপনি পাহারী এলাকায়  বান্দারবান নীলগিরিতে উঠছেন বা নামছেন তখন 2 গিয়ার সিলেক্ট করলে গাড়ীর স্পিড কমে যাবে গাড়ি স্লোলি আস্তে আস্তে মুভ করবে। আপনি ভুলে হাই এক্সেলেরেট করে ফেললেও গাড়ি দৌড় দিবে না।

গাড়ির সম্পর্কে আরো নিত্যনতুন কিছু জানতে হলে
আমার পেইজটা ফলো করে রাখুন 

#bdcars #usedcarbd #carvlogger #usedcar #carhaatltd #carbazaar #carsforsale #carshowroom #কারহাট #কারহাটলিমিটেড #highlights #everyone #viralpost #কারহাট #cartips #bdcar #carshowroom #followers #followforfollowback #avenuedrivingtrainingcenter #avenuedrtc

ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা

 ১) পাসপোর্ট সাইজের ছবি ১টা

২) নিজের নামের অথবা বাবা বা মায়ের নামের পরিশোধিত বিদ্যূত বিলের ফটোকপি ১টা

৩) সর্বশেষ পড়ালেখা করা সার্টিফিকেট এর ফটোকপি ১টা

৪) জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ১টা

৫) এমবিবিএস ডাক্তারের নিকট থেকে প্রত্যয়নপত্র ১টা

২ থেক ৫ নং পর্যন্ত সবগুলো কাগজ এফোর সাইজের পেপারে ফটোকপি করতে হবে এবং আমাদের অফিসে পাটাতে হবে ।  অফিসের ঠিকানা জানতে আমাদের হোয়াটসএপ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন ।
















Second Steps

১) পাসপোর্ট সাইজের ছবিটা jpg ফরম্যাটে পাটাতে হবে

২) বাকী ২ থেকে ৫ নং পর্যন্ত সবগুলো ডকুমেন্ট পিডিএফ ফাইল আকারে স্ক্যান করে  ( https://www.facebook.com/avenuedrtc) আমাদের ফেইসবুক পেইজে ম্যাসেজ করে পাটিয়ে দিতে হবে ।

হার্ডকপি লাগবে  এবং একই সাথে সফটকপিও পাটাতে হবে

আবেদনকারীর নিজের নামে রেজিস্ট্রেশন করা একটা সিম থাকতে হবে এবং আমাদের আবেদন করার সময়ে BRTA এর সার্ভার থেকে আবেদনকারীর মোবাইলে OTP কোড যাবে । এই কোড আমাদেরকে কল দিয়ে বা ম্যাসেজ করে জানাতে হবে । আবেদনকারীর মোবাইলে BSP থেকে যে কোড যাবে তা যদি আমরা জানতে না পারি তাহলে কাজ করতে পারব না । তাই মোবাইলে ম্যাসেজ যাওয়ার সাথে সাথে আমাদেরকে জানাতে হবে । ম্যাসেজ চেনার উপায় হল- কোনো নাম্বার থেকে ম্যাসেজ আসবে না , ম্যাসেজ আসবে BSP  থেকে ।


ধন্যবাদান্তে

ব্যবস্থাপক

#এভিনিউ ট্রাভেলস ইন্টারন্যাশনাল

হোয়াটসএপ- +8801711360475

 একজন আদর্শ চালক হতে হলে কি কি গুণাবলী থাকা উচিত? আজকের আধুনিক জীবনযাত্রায় চালক শুধু গাড়ি চালায় না—একজন আদর্শ চালক মানে হলো দায়িত্বশীলতা, ধৈ...